সেতু  যেন মরন ফাঁদ, ঝুঁকি নিয়েই চলাচল 

চ্যানেল ৯৬বিডি.কম,

ঝালকাঠি : দীর্ঘদিনের পুরাতন ৪১ বেইলি সেতুর প্রায় সবগুলোই ঝুঁকিপূর্ণ । ঝুঁকি নিয়েই চলছে যানবাহন। একের পর এক দুর্ঘটনায় প্রান হারিয়েছেন অনেকে।

বিভিন্ন সময় নামমাত্র মেরামত করা হলেও এ সমস্যা সমাধানে স্থায়ী কোন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না। ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সড়ক বিভাগের পক্ষ থেক নেই কোন সর্তকতামূলক সংকেত।

অধিকাংশ সেতু বেশি পুরাতন হওয়ায়  বেঁকে দেবে আছে। এসব ব্রীজে যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। এ ছাড়া মহাসড়কে যত্রতত্র স্পীড ব্রেকার ও সড়কের অগণিত মোড়ে সঠিকভাবে সাংকেতিক ফলক না থাকায় ঘণ কুয়াশায় দুর্ঘটনায় ঘটছে।

সমস্যা সমাধানে নেই কোন উদ্যোগ। চালক ও স্থানীয়রা বলছেন, বেইলি ব্রীজের প্রায় সবগুলোই ঝুঁকিপূর্ণ, প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সরু এ ব্রীজগুলো ভয়ে ভয়ে পাড়াতে নানা বেগ পেতে হয় চালকদের।

জানা গেছে, বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রীজটি চার বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রীজটি দিয়ে বরিশাল বা ঝালকাঠি থেকে পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনা, ভান্ডারিয়া, মঠবাড়িয়া, পাথরঘাটাসহ দক্ষিন-পশ্চিম আঞ্চলগামী প্রতিদিন শত শত যানবহন যাতায়াত করে।

শুধু বাসন্ডা বেইলি ব্রিজই নয়, সদর উপজেলার কির্ত্তিপাশা ইউনিয়নের বেশাইনখান ও তারাপাশার ২টি বেইলি ব্রিজ, রাজাপুরের বাগড়ী বেইলি ব্রীজ, নৈকাঠি বেইলি ব্রিজসহ জেলার ৪১টি বেইলি ব্রিজ ঝুকিপূর্ন অবস্থায় রয়েছে।

এ ব্রীজগুলো দ্রুত মেরামত বা নতুন করে নির্মান করা না হলে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। এসব সেতু ভেঙে নতুন করে ঢালাই ব্রীজের দাবি স্থানীয়দের।

প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কাজ চলমান রয়েছে। অনুমোধন হলেই ঝুকিপূর্ণ বেইলীব্রিজগুলো পরিবর্তে সেখানে নতুন ব্রিজ ও কার্লভার্ট নির্মাণ করা হবে, জানেয়েছেন ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির।