ভ্রমন পিপাসুদের শীতের হাতছানি

চ্যানেল ৯৬বিডি.কম,

ঢাকা : শীতে ঘুরতে যেতে চান, আর প্রথমেই যেসব দর্শনীয় স্থান আপনাকে হাতছানি দিবে..তারমধ্যে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত,  সেন্টমার্টিন দ্বীপ, সাজেক ভ্যালি, নীলগিরি অন্যতম। ভ্রমণ পিপাসুদের  প্রিয় সময় শীত।  পরিবার পরিজনসহ অনেকেই  ঘুরতে বের হন শীতে। কোথায় যাবেন, কিভাবে যাবেন? জেনে নিন জায়গা সম্পর্কে।

সাজেক ভ্যালি:  ভ্রমণের  জনপ্রিয় স্থান সাজেক ভ্যালি। সাজেক রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার একটি ইউনিয়ন। এর উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৮০০ ফুট উচ্চতায়।  চারপাশে মনোরম পাহাড়ের সারি। সাদা তুলার মতো মেঘের ভ্যালি আপনাকে মুগ্ধ করবে। এখানকার আবহাওয়া খুব দ্রুত রূপ পরিবর্তন করে। আর আশপাশে পাবেন বেশ কিছু পাহাড়। কংলাক পাহাড়ের চূড়া থেকে শীতের সকালে কুয়াশার ফাঁক গলে সূর্যোদয় দেখার সুযােগ পাবেন।

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত:  অনেকের পছন্দের জায়গা কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত।  সমুদ্রসৈকত এমন  জায়গা যেখানে  বারবার যেতেও বিরক্ত লাগে না। শীতকালেই হচ্ছে কক্সবাজার বেড়ানোর জন্য আদর্শ সময়। হালকা শীতের মাঝে সমুদ্রের গর্জন শিহরিত করবে।

 সেন্টমার্টিন দ্বীপ: নারকেল জিঞ্জিরা নামে এ দ্বীপে পরিবহন ব্যবস্থা ও সমুদ্রপথ শীতকালে ভ্রমণ অনুকূলে থাকায় প্রতিবছর লাখ লাখ মানুষ এখানে ছুটে আসে। শীতে বন্ধু-বান্ধব বা পরিবার নিয়ে আপনি ঘুরে যেতে পারেন সেন্টমার্টিন থেকে।

কেওক্রাডং এর চূড়া : বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় জেলা বান্দরবানে অবস্থিত। এক সময় এটিকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ ধরা হত। এর উচ্চতা প্রায় ৯৮৬ মিটার ৩,২৩৫ ফুট। যারা পাহাড়ে হাইকিং পছন্দ করেন কিংবা এডভেঞ্চার প্রেমিক তাদের জন্য কেওক্রাডং একদম পারফেক্ট।

নীলগিরি: দেশের ভূ-স্বর্গ পার্বত্য জেলা বান্দরবান। মেঘ-পাহাড়ের খেলা দেখার পাশাপাশি পাহাড়ের চূড়ায় মেঘ ছুঁয়ে দেখার ইচ্ছা পূরণ করতে চাইলে যেতে হবে বান্দরবানের নীলগিরিতে।

জাফলং: ভ্রমণের জন্য শীতে বেশ উপযুক্ত। একটু অবসর পেলেই ঘুরে আসুন জাফলং, মনজুড়িয়ে দুর হবে কর্মজীবনের ক্লান্তি।

সুন্দরবন: ভ্রমণপিপাসুদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণের জায়গা সুন্দরবন। একইসঙ্গে কচিখালী, কটকা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, জামতলা বীচ, হারবারিয়া ও করমজল ভ্রমণ করতে পারেন।

কুয়াকাটা: শীতে সাগরকন্যা কুয়াকাটা ভ্রমণের জন্য আরামদায়ক। এছাড়া কাঁকড়া দ্বীপ, গঙ্গারচর, রাখাইনপাড়া, বৌদ্ধমূর্তি এবং দেখতে পাবেন শুটকি পল্লি।